প্রধান সূচি

‘চট্টগ্রাম থেকে এবার ‘রনি’র নেতৃত্ব চায় সারাবাংলার ছাত্রসমাজ’

Students-from-all-over-Bang

চট্রগ্রামে রনি’ ঢাকায় রনি’ কুমিল্লায় রনি,সিলেটে রনি’ রাজশাহী’ বরিশাল,যশোরে রনি’ রংপুরে রনি’ ফেনীতে রনি ‘লক্ষীপুরে রনি, নারায়ণগঞ্জে রনি’নোয়াখালীতে রনি’ খুলনাতে রনি’ টেকনাফ থেকে তেতুলিয়ায় রনি’ দেশে রনি’ বিদেশেও রনি সর্বত্র শুধু রনি আর রনি!!!!

চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ‘নুরুল আজিম রনি’র কথা বলছিলাম।

এই রনি রাজনীতি বিমুখ হাজারো ছাত্রকে রাজনীতিতে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের পথ তৈরি করে দেয়া এক অপ্রত্যাশিত মহানায়ক। সারাবাংলা’র ছাত্রসমাজে সর্বস্তরের গ্রহণ যোগ্যতার শীর্ষে পৌঁছে যাওয়াটাই যেনো তার একমাত্র অপরাধ!

দু’শ বছরের পরাধীনতার শৃঙ্খলা ভেঙ্গেও জাতির স্বপ্ন পূরণের সকল বাঁধা ডিঙ্গাতে, স্বাধীনতার শক্তিকে প্রতিষ্ঠিত করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে যখন অগ্রগামী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছিলো, তখনই তার পদেপদে বিছিয়ে দেয়া হচ্ছে কাঁটা। খন্দকার মোশতাক যে মরে নাই, রনির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র যেনো তারই একটা বাস্তব প্রতিচ্ছবি।

স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির হাতে যখন আমরা রাস্তায় জিম্মি হই, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জিম্মি হই, হাসপাতালে জিম্মি হই, জিম্মি হই খেলার মাঠে, জিম্মি হই কর্ণফুলী দেখতে গিয়ে ছিনতাইকারীর হাতেও—তখন গল্প সিনেমার সুপারম্যানের মত এই রনি–ই এসে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। অথচ আজ সেই রনিকেই বানানো হলো চাঁদাবাজ।

আমজনতা এখন আর আম ছিলে খায় না। জ্যুস বানিয়ে খায়। এজন্যেই বলছি জনগণ বোঝে সবই। রনিকে চাঁদাবাজ সাজানোটা ওই রাজনীতির মাইনাস ফর্মুলা ছাড়া কিচ্ছুনা। বাঙ্গালি জাতির জনক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, ‘কবি গুরু দেখে যাও, আমার বাঙালি মানুষ হয়েছে’। হ্যাঁ বাঙালি সত্যিই মানুষ হয়েছে। কিন্তু জাতির জনকের সেই মানুষেকে কারা আজ চাঁদাবাজ, অস্ত্রবাজ সাজিয়ে বাঙালি-আনায় আঘাত হানার পায়তারা চালাচ্ছে তা আজ পরিষ্কার। আওয়ামীলীগের মুখোশে ওরা মোস্তাকের উত্তরসূরি। এ-যেনো আর চেনার বাকী রইলো না।

বিএনপি—জামায়াতের ক্ষমতায় থাকতে সবাই দেখেছে, সন্ত্রাস আর নৈরাজ্য কাহাকে বলে। স্বপ্ন ভূমিষ্ঠ বন্ধ করে দিয়েছিলো জাতি। আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এসে সেই স্বপ্নের আমার বুনন শুরু হয়। স্বপ্ন দেখার স্বভাব ত্যাগ করা জাতি আবারো আশায় বুক বাঁধে।

চট্টগ্রামবাসী স্বপ্ন দেখেছিলো রনির মত একজন সন্ত্রাসী-অস্ত্রবাজের— যে সবাইকে সকল বিপদ থেকে রক্ষা করতে ছুটে আসবে। স্বপ্ন টা সত্যি করতেই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার একজন ভ্যানগার্ড এসে হাজির। অবশেষে ঘুম ভাঙালো জাতির।

হঠাৎ একদিন—স্বাভাবিক,নিয়মিত চিন্তা,চেতনা থেকে বের হয়ে একজন ডাক দিলো,বদলে যাওয়ার গল্প শুনালো,অনিয়ম মেরে নিয়ম প্রতিষ্ঠার কথা দিল। স্বপ্ন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অন্যায় মেনে নিতে বাধ্য হওয়া সেই ঘুমন্ত জাতিকে জাগিয়ে তোলার একান্ত অপরাধে তাকে, আমার ভাই তোমার ভাইয়েরা চক্রান্ত করে নিভিয়ে দেয়ার অপপ্রয়াসে আরম্ভ হয়ে গেলো।

মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি জামাত,শিবিরের দালালদের বিরুদ্ধে যে রীতিমত ঝড় তুলছে,তাকেই জামাত,শিবির উপাধি দেয়া হলো। তবে এই চট্টলায় ছাত্রলীগ টা কে? কে মাঠে নেমে চট্টগ্রামকলেজ কে ২৮ বছর পর জামাত-শিবির মুক্ত করেছিলো? প্রচারবিমুখ প্রচলিত বেআইনি শিক্ষা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কে ডাক দিয়েছিল? মেধা ও মননের সংযোগে ছাত্ররাজনীতির হারানো গৌরব চট্টলায় নবরূপে প্রতিষ্ঠিত করেছে কে? উত্তর একটাই—’নুরুল আজিম রনি’।

এই রনিই যদি ষড়যন্ত্রের কাছে হেরে যায়! হেরে যাবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, হেরে যাবে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন। ডীপফ্রিজে রাখা হিমায়িত জমাটবাঁধা কষ্টের মত স্তব্ধ হয়ে যাবে তরুণপ্রজন্মের এগিয়ে চলা। থেমে যাবে নতুন করে সমাজ পরিবর্তনের স্ট্রাকচার। মেধাশূন্য রাজনীতি আবার আমাদের মাথা চিবিয়ে খাবে। অনিয়ম দুর্নীতি চালিয়ে শাসন করে যাবে দিনের পর দিন। আমরা বেঁচে থাকব আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগের মত। তাই আবারো বলছি—’রনির পাশে আমি আছি, রনির পাশে আমরা আছি। বরং চট্টগ্রামে নয়, রনিকে চায় সারাবাংলার ছাত্রসমাজ।

লেখক— শাহ্ ওমর। গণমাধ্যমকর্মী