প্রধান সূচি

প্রতিদিনই বসে আইপিএল জুয়ার আসর, সাড়ে ৪ ঘণ্টায় নিঃস্ব অনেকেই

Everyday-the-IPL-gambling-e

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগকে (আইপিএল) কেন্দ্র করে হবিগঞ্জে প্রতিদিন বসছে জমজমাট জুয়ার আসর। কিশোর-তরুণ থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্করাও আসক্ত হয়ে পড়েছে এই জুয়ায়। একটা ম্যাচ শুরু থেকে শেষ হতে সময় লাগে চার থেকে সাড়ে চার ঘণ্টা। এর এই সময়ের মধ্যেই অনেকেই নিঃস্ব হচ্ছে।

অনেকেই রাতারাতি বিপুল অর্থের মালিক হওয়ার আশায় মেতেছে আইপিএল জুয়ায়। অনেকে হচ্ছেও। আবার এই জুয়ায় আসক্তদের অসংখ্য পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। এমন ঘটনায় প্রতিনিয়তই অর্থ সংক্রান্ত মামলাও বাড়ছে।

পরিস্থিতি এমন ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে যেটি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ প্রশাসনও হিমশিম খাচ্ছে। প্রতিদিন একাধিক টিমে বিভক্ত হয়ে রাতভর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

এর মধ্যে মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার দুপুর পর্যন্ত হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে সদর থানার ওসি ইয়াছিনুল হকের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৫ জুয়াড়িকে গ্রেফতার করে।

এতে থামছে না ক্রিকেট জুয়া। পুলিশের অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়লে শহর ও আশপাশের এলাকা থেকে তাদের কাছে অনেকেই জুয়ার খবর দিতে ছুটে আসছেন। অপরদিকে জুয়াড়িরাও সতর্ক হতে শুরু করেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলা শহরের উত্তর শ্যামলী, উমেদনগর, চৌধুরী বাজার খোয়াই মুখ, কামড়াপুর খোয়াই ব্রিজের উত্তর ও দক্ষিণাংশ, গরুর বাজার, রাজনগর, শায়েস্তনগর, দুই নং পুল এলাকা, তেঘরিয়া খোয়াই ব্রিজ এলাকা, শহরতলীর বড় বহুলা, পইল, ভাদৈ, ধুলিয়াখালসহ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে আইপিএল জুয়ার আসর বসে প্রতিদিন।

এ ব্যাপারে সদর মডেল থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ(ওসি) ইয়াছিনুল হক জানান, আইপিএল খেলাকে কেন্দ্র করে কতিপয় জুয়াড়ি জেলা শহরসহ বিভিন্ন পয়েন্টে জুয়া খেলায় মেতেছে। প্রতিদিনই তাদের ধরতে বিভিন্ন স্থানে একাধিক টিমে বিভক্ত হয়ে পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গতকাল ১৫ জনকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়।