প্রধান সূচি

ছাত্রলীগের ২৯তম সম্মেলনে চমক, নুরুল আজিম রনি হতে পারে সভাপতি

rony

চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরুল আজিম রনিই হতে পারে দক্ষিন এশিয়ার সর্ববৃহৎ ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি। এ নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে চলছে নানা আলোচনা। খবর-ভোরের পাতার।

এক জরিপে দেখা গেছে বর্তমানে সারা দেশে ৮০ শতাংশ নেতা কর্মীরা রনিকে চায়। গত কয়েকদিন আগে চট্টগ্রামে একটি কোচিং ব্যাবসায়ীকে মারধর এর ঘটনায় একটি ভিডিও ভাইরাল হলে রনি সেচ্ছায় পদত্যাগ করেন।

তার অনুসারীদের দাবী রনি সবসময় সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষা ব্যবসায়ীদের বিপক্ষে থাকায় তার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তাই রনি ষড়যন্ত্র থেকে বাঁচতে পদত্যাগ করছে। তবে রনিকে তারা ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যাক্ত করেছেন।

একের পর এক থাপ্পড় মেরে যাচ্ছে আর উনি বসে বসে তা হজম করছেন !! ক্যামেরা আগে থেকেই সেট করা আছে তাই তিনি চুপ করে মার খাচ্ছেন, মঞ্চ যেন আগে থেকেই প্রস্তুত করা ছিল। ভেবে দেখুন, একের পর এক থাপ্পর খেয়েই যাচ্ছেন, কোন চিৎকার করছেন না, প্রতিবাদ করছেন না, দৌড়ে চলে যাচ্ছেন না, অফিসের লোকজন উনাকে রক্ষা করতেও এগিয়ে আসছেন না। কেন আসছেন না কারণ দরকার ছিল একটা ভিডিও ক্লিপ।

শত শত ছাত্রদের অভিযোগের কারণে বার বার তাগাদা দেওয়ার পরও কোচিং সেন্টারের মালিক কর্ণপাত না করায় এই ভিডিও ক্লিপটির জন্ম হয় এবং এর সাথে জড়িত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতা। এটা বুজতে দেরি হয়নি ছাত্রবান্ধব নেতা নূরুল আজিম রনির তাই দলকে বিব্রত না করতে সরে দাড়ান তিনি।

এ ব্যাপারে সারাদেশে ছাত্রসমাজ নড়েচড়ে বসেছে। চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, কক্সবাজার, লক্ষিপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ শিক্ষার্থীরা রনির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করছে।

রনি সেচ্ছায় পদত্যাগের পর সারাদেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে প্রতিবাদের ঝড়, অধিকাংশের চাওয়া রনিই হোক ছাত্রলীগের সভাপতি। সর্বস্তরে বেড়েছে রনির জনপ্রিয়তা। বর্তমান ও সাবেক প্রভাবশালী নেতারাও রয়েছে রনির পক্ষে। প্রধানমন্ত্রীও চাচ্ছেন সিলেকশন পদ্ধতিতে ছাত্রলীগের নেতা নির্ধারিত হবে। লন্ডন অবস্থানকালীন সময়ে শেখ হাসিনা রনির বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন। গতকাল আশরাফুল আলম খোকনের ফেসবুক পোষ্ট অনেকটাই স্পষ্ট ধারনা দিচ্ছে রনির ব্যাপারে।